সোমবার ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ - ১৭:০১
সিরাতুন নবী : দ্বন্দ্ব-সংকটের পৃথিবীতে শান্তির অমোঘ প্রতীক

আজ যখন গাজা থেকে ইউক্রেন, আফ্রিকা থেকে এশিয়া-সর্বত্র সংঘাত, মেরুকরণ ও অসহিষ্ণুতা প্রকট আকার ধারণ করছে, তখন এই দিনটি আমাদের বারবার মনে করিয়ে দেয় যে, মহানবী (সা.)-এর জীবনাদর্শই পারে এই বিশৃঙ্খল পৃথিবীকে শান্তি ও ন্যায়ের পথে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে।

হাওজা নিউজ এজেন্সি রিপোর্ট অনুযায়ী,

কলমে - সেখ মঈনুল হক

ভূমিকা : এক মহাকাব্যিক আগমন

আগামী ২৬ আগস্ট পবিত্র ১২ রবিউল আউয়াল। ইসলামের ইতিহাসে এই দিনটি কেবল একটি বার্ষিকী নয়, এটি মানবসভ্যতার ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ চরিত্র-হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর আবির্ভাবের মহাকাব্যিক স্মারক। ৫৭০ খ্রিস্টাব্দের এই দিনে আরবের মরুপ্রান্তর মক্কা নগরীতে তাঁর জন্মের মধ্য দিয়ে সূচিত হয়েছিল অজ্ঞতা, বর্বরতা ও শোষণের বিরুদ্ধে এক চিরন্তন বিপ্লব। আজ যখন গাজা থেকে ইউক্রেন, আফ্রিকা থেকে এশিয়া-সর্বত্র সংঘাত, মেরুকরণ ও অসহিষ্ণুতা প্রকট আকার ধারণ করছে, তখন এই দিনটি আমাদের বারবার মনে করিয়ে দেয় যে, মহানবী (সা.)-এর জীবনাদর্শই পারে এই বিশৃঙ্খল পৃথিবীকে শান্তি ও ন্যায়ের পথে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে।

জাহেলিয়াতের অন্ধকার : শুধু আরবের নয়, বৈশ্বিক চিত্র

মহানবী (সা.)-এর আগমনের পূর্ববর্তী আরব সমাজকে ‘আইয়ামে জাহেলিয়াত’ (অজ্ঞতার যুগ) বলা হয়। কিন্তু এই অজ্ঞতা শুধু মূর্তিপূজা বা মদ্যপানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, এটি ছিল নারীকে পণ্য মনে করা, কন্যা সন্তান জীবন্ত প্রোথিত করা, সুদে শোষণ, গোত্রীয় হানাহানি ও রক্তপাতের এক উৎকট সংস্কৃতি। আশ্চর্যের বিষয়, এই চিত্রটি আজকের বিশ্ব সমাজের সঙ্গেও আশ্চর্য মিল খুঁজে পায়। বর্তমানে প্রযুক্তির চরম শিখরে পৌঁছেও আমরা নৈতিকতা, মানবিক মর্যাদা ও আত্মিক শান্তির দিক থেকে অনেকাংশেই আধুনিক ‘জাহেলিয়াতে’ ডুবে আছি। নবীজির আগমন ছিল এই আধুনিক অজ্ঞতার এক্সরে, যা আমাদের প্রকৃত সভ্যতার মানদণ্ড স্পষ্ট করে দেয়।

রহমাতুল্লিল আলামিন : শিরোনামের গভীরতা

পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেছেন, “আমি আপনাকে সমগ্র বিশ্বজগতের জন্য রহমত স্বরূপই প্রেরণ করেছি।” (সূরা আম্বিয়া : ১০৭)। এখানে ‘বিশ্বজগত’ বলতে কেবল মুসলিম সমাজ নয়,  মানব, জীবজন্তু, পশু পাখি এমনকি গাছপালাও অন্তর্ভুক্ত। তিনি প্রাণিজগতের প্রতি সদয় ছিলেন, যুদ্ধের সময়ও বৃক্ষ নিধন ও নিরীহ প্রাণী হত্যা করতে নিষেধ করেছেন। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো আজ যে পরিবেশ সংরক্ষণ ও প্রাণী কল্যাণের কথা বলে, তার চৌদ্দশো বছর আগে মহানবী (সা.) তা কার্যত প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। ঈদ-ই-মিলাদ উদযাপনের প্রকৃত অর্থ হলো এই বিশ্ব রহমতকে হৃদয়ে ধারণ করা।

চরিত্রের শ্রেষ্ঠত্ব : আধুনিক মনোবিজ্ঞানের বিস্ময়

আধুনিক মনোবিজ্ঞান বলে, একজন নেতার সবচেয়ে বড় গুণ হলো ‘ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স’ (আবেগীয় বুদ্ধিমত্তা)। পশ্চিমা বিশ্বের অক্সফোর্ড ও হার্ভার্ডের অধ্যাপকরা আজ যে ‘কম্প্যাশনেট লিডারশিপ’-এর তত্ত্ব দেন, মহানবী (সা.) তাঁর জীবনেই তার পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন ঘটিয়েছিলেন। শত্রুপক্ষ যখন তাঁকে পাথর মারত, তখন তিনি তাদের জন্য দোয়া করতেন। তায়েফের পাথরের ঘটনা ইতিহাসের স্বর্ণাক্ষরে লেখা-সেখানে ফেরেশতাদের দ্বারা শত্রুদের ধ্বংস করার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে তিনি বলেছিলেন, “আমি তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করছি, যদি তারা ঈমান নাও আনে, অন্তত তাদের সন্তানরা যেন মুসলিম হয়।” এই মানসিকতার বিশালতাই তাঁকে মানবজাতির রোল মডেলে পরিণত করেছে।

নারীর মর্যাদা : পাশ্চাত্যের সমান্তরালে এক বৈপ্লবিক দৃষ্টান্ত

মহানবী (সা.)-এর জন্মের আগে আরবে নারীকে সম্পত্তি মনে করা হতো। তিনি ঘোষণা করলেন, “জান্নাত মায়ের পায়ের তলায়”-যা নারীর মর্যাদার এক চরম স্বীকৃতি। কন্যা সন্তান হত্যার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়ে তিনি মেয়েদের শিক্ষার জন্য জোরালো তাগিদ দেন। প্রথম স্ত্রী খাদিজা (রা.)-এর সাথে তাঁর পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার সম্পর্ক সপ্তম শতাব্দীর জন্য এক বিপ্লব ছিল। বর্তমান বিশ্বে নারী নির্যাতন, যৌতুক ও পাচার যেখানে প্রকট, সেখানে নবীজির আদর্শই পারে সমাজকে রক্ষা করতে। আন্তর্জাতিক নারী দিবসে তাঁর জীবনী আলোচিত হওয়া উচিত-এই প্রবন্ধ সেই দিকটিও তুলে ধরে।

মদিনার সনদ : বহুত্ববাদী সমাজের প্রথম লিখিত সংবিধান

আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে ‘সহাবস্থান’ (Coexistence) আজ একটি আলোচিত বিষয়। ৬২২ খ্রিস্টাব্দে মহানবী (সা.) মদিনা রাজ্য প্রতিষ্ঠা করে যে ‘মদিনার সনদ’ প্রণয়ন করেন, তা ইতিহাসের প্রথম লিখিত বহুত্ববাদী সাংবিধানিক দলিল। সেখানে মুসলিম, ইহুদি, খ্রিস্টান ও মুশরিক-সকলের জন্য সমান ধর্মীয় স্বাধীনতা, জীবন সম্পত্তির নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচারের নিশ্চয়তা ছিল। রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপকরা আজ যে ‘সামাজিক চুক্তি’ (Social Contract) নিয়ে পড়ান, তার মূলে রয়েছেন নবী মুহাম্মদ (সা.)। ঈদ-ই-মিলাদে এই সংবিধানের গুরুত্ব উপলব্ধি করলে সাম্প্রদায়িক হানাহানি কমে আসবে।

অর্থনৈতিক ন্যায়বিচার : সুদ ও শোষণমুক্ত বিশ্ব

বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ আজ সুদভিত্তিক অর্থনীতির দুষ্টচক্র নিয়ে চিন্তিত। মহানবী (সা.) সুদকে (রিবা) যুদ্ধের সমতুল্য ঘোষণা করে অর্থনৈতিক ন্যায়বিচারের ভিত্তি স্থাপন করেন। সম্পদের পুঞ্জীভবনের বিরুদ্ধে তিনি যাকাত ব্যবস্থার মাধ্যমে সম্পদের পুনর্বণ্টন নিশ্চিত করেছিলেন। যারা মনে করেন ইসলাম কেবল আচার অনুষ্ঠানে সীমাবদ্ধ, তাদের জানা উচিত যে, নবীজির অর্থনৈতিক নীতি আজও ক্যামব্রিজ ও শিকাগো স্কুল অব ইকোনমিক্সে আলোচিত হয়। তাঁর জন্মদিনে সুদমুক্ত, শোষণমুক্ত সমাজ গঠনের শপথই পারে মিলাদকে সার্থক করতে।

জ্ঞান বিজ্ঞানের পৃষ্ঠপোষকতা

মহানবী (সা.) বলেছেন, “জ্ঞান অর্জন করা প্রতিটি মুসলিম নর নারীর উপর ফরজ।” বদর যুদ্ধের বন্দীদের মুক্তিপণ তিনি শিক্ষাদানকে বেঁধে দিয়েছিলেন-জ্ঞানের প্রতি তাঁর অগাধ ভালোবাসার উজ্জ্বল প্রমাণ। এই আদর্শেই গড়ে উঠেছিল সোনালি ইসলামি সভ্যতা, যেখান থেকে ইউরোপ রেনেসাঁসের আলো পায়। ইবনে সিনা, আল খোয়ারিজমি, জাবির ইবনে হায়ান-এঁরা ছিলেন তাঁর সিরাতেরই ফল। আজ মুসলিম বিশ্ব বিজ্ঞানে পিছিয়ে; তাই ঈদ-ই-মিলাদের শিক্ষা হলো কেবল ধর্মীয় নয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতেও শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করা।

সহিষ্ণুতার শিক্ষা : অন্য ধর্মের প্রতি আচরণ

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইসলামের ভুল ব্যাখ্যা মাঝেমধ্যেই সাম্প্রদায়িকতার জন্ম দেয়। অথচ মহানবী (সা.)-এর জীবন ছিল সহিষ্ণুতার উৎকৃষ্ট উদাহরণ। একবার এক খ্রিস্টান প্রতিনিধিদল তাঁর মসজিদে এসে নিজেদের ধর্মীয় আচার পালন করলে তিনি কোনো বাধা দেননি, বরং নিজেই তাঁদের মেহমানদারি করেছেন। তিনি বলেছেন, “যে আমার প্রতিবেশীকে কষ্ট দেয়, সে আমার নিকট মুমিন নয়”-এখানে ‘প্রতিবেশী’ ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকলকে বোঝায়। সীমান্তের ঝগড়া ও গোষ্ঠীগত সংঘাতের এই সময়ে নবীজির এই শিক্ষা আমাদের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক উন্নয়নের মন্ত্র।

আত্মশুদ্ধির আহ্বান : দুনিয়া ও আখিরাতের ভারসাম্য

পাশ্চাত্যের বস্তুবাদ মানুষকে উদ্বেগ বিষণ্ণতায় ডুবিয়েছে। মহানবী (সা.) ‘জোহদ’ (সংযম) ও ‘তাওয়াক্কুল’ (আল্লাহর ওপর ভরসা) শিক্ষা দিয়ে মুক্তি দিতে চেয়েছেন। তিনি বলেন, “তুমি দুনিয়ায় এমনভাবে বসবাস করো যেন তুমি একজন মুসাফির।” অর্থ, ক্ষমতা ও বিলাসের পেছনে ছুটে আত্মাকে হারানো নয়, বরং ভারসাম্য রক্ষা। মনোবিজ্ঞানীরা আজ ‘মাইন্ডফুলনেস’-এর যে পরামর্শ দেন, তা নবীজির চিন্তারই অনুবর্তী। মিলাদের দিনে আত্মপর্যালোচনা ও সংযমের অঙ্গীকার আমাদের মানসিক চাপ কমাতে পারে।

ভারতের ভূমিকা : ধর্মনিরপেক্ষতায় ঈদ-ই-মিলাদের চেতনা

ভারত বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র এবং বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম মুসলিম জনসংখ্যার দেশ। এখানে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী শুধু মুসলিম সম্প্রদায়ের উৎসব নয়, এটি ভারতের বহুত্ববাদী ও ধর্মনিরপেক্ষ ঐতিহ্যের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। দিল্লির জামা মসজিদ, লক্ষ্ণৌর ইমামবারা, হায়দ্রাবাদের মক্কা মসজিদ, কলকাতার নাখোদা মসজিদ-সর্বত্র এই দিন ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও আধ্যাত্মিক আবেগে পালিত হয়। রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা মুসলিম সম্প্রদায়কে শুভেচ্ছা বার্তা প্রদান করেন, যা সম্প্রীতির চেতনাকে তুলে ধরে। জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া ও দিল্লির ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে সিরাতুন্নবী বিষয়ক সেমিনার, কিরাত ও নাত প্রতিযোগিতা হয়। পশ্চিমবঙ্গ, কেরালা, উত্তরপ্রদেশ ও আসামের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নবীজির জীবনাদর্শ-শান্তি, সহিংসতা পরিহার, নারীমর্যাদা ও আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতি-নিয়ে আলোচনা হয়। অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ড ও সুফি সংগঠনগুলি মানবসেবা, রক্তদান ও দরিদ্রদের খাবার বিতরণ করে। ভারতের সংবিধান যেখানে সকল ধর্মের সমান অধিকার নিশ্চিত করে, সেখানে ঈদ-ই-মিলাদ হলো সেই ধর্মনিরপেক্ষতার বাস্তব প্রমাণ-যেখানে হিন্দু, শিখ, খ্রিস্টান প্রতিবেশীরাও মুসলিম ভাইদের সঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নেয়। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভারত এই উৎসবকে সহিষ্ণুতা ও সাংস্কৃতিক ঐক্যের প্রতীক হিসেবে উপস্থাপন করে, যা বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদ ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে একটি বলিষ্ঠ অবস্থান। ভারতের বুকে ঈদ-ই-মিলাদ শেখায়-ধর্ম যেকোনোটি হোক, মানবতা এবং মহানবী (সা.)-এর শিক্ষা সবার জন্য। এই দিনে ভারতের মুসলিমরা নিজেদের ভারতীয় পরিচয় অক্ষুণ্ণ রেখেই নবীপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়, যা দেশের ‘ইউনিটি ইন ডাইভার্সিটি’-র চিরায়ত দর্শনকে সুসংহত করে।

তরুণ সমাজের দায়িত্ব : অনুসরণ, বিতর্ক নয়

বর্তমান প্রজন্ম সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যস্ত, ধর্মীয় গোঁড়ামি ও উদারতার দ্বিধায় পড়ে। ঈদ-ই-মিলাদ তাদের জন্য এক বিরাট শিক্ষাক্ষেত্র। মহানবী (সা.) কখনো চিৎকার করে ধর্ম প্রচার করেননি, তিনি ধৈর্য, প্রজ্ঞা ও উদাহরণ দিয়ে মানুষ জয় করেছেন। তরুণরা তাঁর সিরাত থেকে ‘সময়ানুবর্তিতা’, ‘সত্যবাদিতা’, ‘উদ্যোক্তা মনোভাব’ ও ‘গবেষণা নীতি’ গ্রহণ করলে বৈশ্বিক নেতৃত্ব দিতে পারবে। আন্তর্জাতিক মাধ্যম কখনো কখনো ইসলামিক ফোবিয়া তৈরি করলেও, তরুণদের কর্তব্য হলো সঠিক সিরাত জ্ঞানগত ও যুক্তি নির্ভরভাবে তুলে ধরা।

সমাপ্তি : শান্তির প্ল্যাটফর্ম পৃথিবী

পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী আমাদের শেখায়-জন্ম ও মৃত্যু একই দিনে মিলিত হতে পারে, যেমনটি নবীজির জীবনে ঘটেছে, কিন্তু তাঁর আদর্শ অমর। তিনি শারীরিকভাবে আমাদের মাঝে নেই, কিন্তু তাঁর সুনাম, চরিত্র ও বার্তা প্রতিটি মুহূর্তেই বিদ্যমান। গাজার শিশু, ইউক্রেনের যোদ্ধা, আফ্রিকার অনাহারী কৃষক-সবার মুক্তি নিহিত রয়েছে এই নবীর দেখানো ন্যায় ও শান্তির পথে। ১২ রবিউল আউয়াল কেবল নাচ গান বা খাওয়া দাওয়ার দিন নয়, এটি মানবতা পুনর্গঠনের দিন। আসুন, আমরা দৃঢ় অঙ্গীকার করি-আমাদের চিন্তা, কর্ম, ব্যবসা, পারিবারিক জীবন ও বৈদেশিক সম্পর্ককে নবীজির সুন্নাহর আলোকে সাজাব। তাহলেই এই মিলাদ হবে সত্যিকার ‘ঈদ’-আনন্দের, আত্মপ্রত্যয়ের এবং শাশ্বত শান্তির। পবিত্র মিলাদুন নবীর অগণিত শুভেচ্ছা ও সালাম সবার প্রতি।

Tags

আপনার কমেন্ট

You are replying to: .
captcha